সত্যি সত্যি আমাদের বাস্তব জগতে ভূতের অস্তিত্ব আছে কি নেই তা নিয়ে তর্কের কোনো শেষ নেই। এ তর্ক চলছে সেই আদ্যিকাল থেকে। চলছে তো চলছেই। ভূতের অস্তিত্ব বাস্তবে থাক বা না থাক, ভূত-প্রেত নিয়ে শিশুকিশোরদের মনে রহস্য এবং কৌতূহলেরও সীমা-পরিসীমা নেই। ক্লাসের ফাঁকে বা ছুটির অবসরে ইশকুলের বন্ধুদের মধ্যে গা ছমছমে নানান রকম ভূতরহস্যের চর্চা হয়ে আসছে বহুকাল থেকে। শিশুকিশোরদের সীমাহীন কৌতূহলকে পুঁজি করে বাংলা ভাষায় ভূতকাহিনীও একেবারে কম লেখা হয়নি। সে সব গল্প উপন্যাস ভূতরহস্যের গিট খুলে দেবার বদলে ছোটদের সরল মনে ভূতের ভয়ই ছড়িয়ে দেয় বেশি বেশি করে। মানুষকে ভয় দেখানো ছাড়া ভূতের কি আর কোনো কাজ নেই? শোনা যায় তেনাদের আকার আকৃতি নেই, শরীর বলেও কিচ্ছু নেই। তাহলে তেনাদের জন্ম হয় কোথায়, বেড়ে ওঠে কীভাবে! কেমন করে তারা ঘুরঘুর করে মানুষের পায়ে পায়ে! নাকি মনে মনে! এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই কথাশিল্পী রফিকুর রশীদ রচনা করেন বেশ কিছু ভূতের গল্প। এরই মাঝে নবাগত করোনা ভূতও এসে যুক্ত হলে সংখ্যা আরো বেড়ে যায়। সেই সব গল্প নিয়ে শিশুপ্রকাশের মজার আয়োজন ‘ভূতের মেয়ের জন্মদিন’। ছোটোদের জন্যে রচিত রফিকুর রশীদের বিচিত্র গল্পভুবনে এবার যুক্ত হলো নতুন মাত্রা। আশা করি ভূত-কৌতূহলী পাঠকের ভালো লাগবে এই বইটি।