বিচিত্র সব উপাদানের সমাহারে গড়ে উঠে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অলৌকিক কাহিনী। সেখানে ছায়ামূর্তি আছে, ডাকিনী আছে, প্রেতাত্মা আছে, আছে তন্ত্র-মন্ত্র, আছে আতঙ্ক। বিভূতিভূষণের যাবতীয় ভয়ের গল্পকে এক মলাটে নিয়ে প্রকাশিত হল তাঁর বৃহত্তম সংকলন ‘ভয় সমগ্র' যাতে স্থান পেয়েছে চৌত্রিশটি ভয়ের গল্প। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ভূতে বিশ্বাসী ছিলেন। পরলোকের ওপর তাঁর আগ্রহ ও বিশ্বাসের কারণ ছিল তাঁর প্রথম স্ত্রী-র অকালমৃত্যু। তাঁর গল্পের অলৌকিক উপকরণগুলি বিচিত্র। সেখানে ছায়ামূর্তি আছে, ডাকিনী আছে, প্রেতাত্মা আছে, আছে তন্ত্র-মন্ত্র, আছে আতঙ্ক। গত শতাব্দীর সত্তর দশকের গোড়ায় বিভূতিভূষণের বাইশটি ভূতের গল্পকে একত্র করে একটি সংকলন ভীষণ জনপ্রিয়তা পায়। এরপর বিভিন্ন মোড়কে প্রকাশিত হয় বিভূতিভূষণের ভৌতিক তথা অলৌকিক গল্পের একাধিক সংকলন— যার অধিকাংশই অসম্পূর্ণ এমনকী কিছু ক্ষেত্রে অন্য বিষয়ক গল্পও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই অবস্থায় প্রয়োজন ছিল তাঁর যাবতীয় ভয়ের গল্পকে এক মলাটে প্রকাশ যেখানে বিভূতিভূষণের ভূতের গল্পের পাশাপাশি স্থান পাবে সবকটি অতীন্দ্রিয় তথা অতিপ্রাকৃত তথা পারলৌকিক ব্যাখ্যাতীত গল্প। সেই উদ্দেশ্য নিয়ে 'বুক ফার্ম' থেকে প্রকাশিত হল বিভূতিভূষণের বৃহত্তম গল্প সংকলন 'ভয় সমগ্র' যাতে স্থান পেয়েছে চৌত্রিশটি ভয়ের গল্প।