‘ভারত স্বাধীন হল’ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ-এর লেখা ঔপনিবেশকাল ও ভারত বিভাগ বিষয়ক বই। দি স্কাই পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে ২৭১ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2019।
“ভারত স্বাধীন হল” বইটির ভুমিকা থেকে নেয়াঃ ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার মধ্য দিয়ে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন ঘটে এবং বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়। ইংরেজরাই হয়ে ওঠে এ অঞ্চলের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। আস্তে আস্তে মুঘল সম্রাটদের ওপরও তারা প্রভাব বিস্তার করে। একসময় সমগ্র ভারতবর্ষের ক্ষমতা চলে যায় তাদের হাতে। সেই থেকে ১৯০ বছর তারা শাসনের নামে এদেশের ওপর শােষণ নির্যাতন চালায়। স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্যে আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক বিপ্লবীকে জীবন দিতে হয়েছে। একসময় আন্দোলনের মুখে ব্রিটিশ রাজশক্তিকে নমনীয় হতে হয়। ভারতবর্ষকে ভারতীয়দের হাতে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় ভারতবিভক্তির মাধ্যমে। কিন্তু কিছু ভারতীয় নেতা ভারতকে বিভক্ত করতে চান না,তাঁরা অখন্ড ভারতের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন। শেষ পর্যন্ত হিন্দু-মুসলিম নেতাদের নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্বের ভেতর দিয়ে বিভক্তির মাধ্যমে ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট পাকিস্তান ও ১৫ই আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। মৌলানা আবুল কালাম আজাদ (১৮৮৮-১৯৫৮) রচিত ‘ভারত স্বাধীন হল’ গ্রন্থে এসব বিষয় আলােচিত হয়েছে। মৌলানা সাহেবও চেয়েছিলেন অবিভক্ত স্বাধীন ভারত। ব্রিটিশ-ভারতে কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ওৎপ্রােতভাবে জড়িত ছিলেন। ১৯২৩ সালে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৪০ সালেও আবার সভাপতি হন।
ইতিহাস, সমাজ ও রাজনীতিতে আগ্রহী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।