লেখক উইং কমান্ডার (অব.) সফিকুল আলম-এর ‘বাংলাদেশের কাঁকড়া ও এর রপ্তানী সম্ভাবনা’ পাঠকের সামনে এসেছে শিল্প ও কৃষি বিষয়ক বই হিসেবে। এশিয়া পাবলিকেশন্স-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়।
ফ্ল্যাপে লিখা কথা পৃথিবীতে প্রায় ৫০০০ প্রকারের কাঁকড়া আছে। এর মধ্যে প্রায় ৪৫০০ প্রকারের কাঁকড়া আছে যা খাওয়া যায় এবং ৫০০ প্রকারের কাঁকড়া হল হারমিট কাঁকড়া যা সত্যিকারের কাঁকড়া নয় এবং এটা অনেক ক্ষেত্রেই খাওয়া যায় না। কাঁকড়া ডেকাপোডা শ্রেণীর অন্তর্গত যা বিভিন্ন ক্রুস্টাসিন দ্বারা গঠিত। অর্থ্যাৎ এর পা চারের অধিক,উপরের খোলস শক্ত। কাঁকড়া পৃথিবীর প্রাচীনতম প্রজাতি সমূহের মধ্যে একটি। কিছু কিছু কাঁকড়া ২০০ মিলিয়ন বছরের পুরাতন এবং বস্ত্তুত সেগুলো এক একটি Living Fossil,অর্থ্যাৎ এমন কোন প্রাণী যা প্রাগৈতিহাসিককালে জীবনধারণ করেছিল এবং অদ্যাবধি অবিকৃৎ অবস্থায় জীবন ধারণ করে আসছে। এ বইয়ের বেশিরভাগ তথ্য কাঁকড়া রপ্তাণীকারক হিসেবে নিজের স্বল্প পেশা জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত। তাছাড়া বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত বিভিন্ন মিডিয়া তথা ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত। যদি বইটিতে কোনো ভুল তথ্য পাওয়া যায়,তবে তা পরবর্তী সংস্করণে শোধরাবার অবশ্যই চেষ্টা করা হবে।
ইতিহাস, সমাজ ও রাজনীতিতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।