Bangla Vasar Biramchino O Jotichinnho Itihas Ritiniti O Proyog
ভাষা
বাংলা
পৃষ্ঠা সংখ্যা
135 পৃষ্ঠা
সংস্করণ
1st Published, 2020
বাঁধাই
হার্ডকভার
ফরম্যাট
হার্ডকপি
ক্যাটাগরি
প্রফেশনাল, জার্নাল ও রেফারেন্স
দেশ
Bangladesh
প্রকাশকাল
এপ্রিল 2020
লেখক ড. মোহাম্মদ হাননান-এর ‘বাংলা ভাষায় বিরাহচিহ্ন ও যতিচিহ্ন ইতিহাস রীতিনীতি ও প্রয়োগ’ পাঠকের সামনে এসেছে গবেষণা ও পরিসংখ্যান বিষয়ক বই হিসেবে। কথাপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত। বইটিতে আছে ১৩৫ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2020।
বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন ব্যবহারের রীতি সকল ভাষাতেই আছে,বাংলা ভাষাও এর বাইরে নয়। বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগেও আমরা বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের রীতি দেখতে পাই। প্রাচীন আমল থেকে মধ্যযুগ পেরিয়ে বাংলা বিরামচিহ্ন আধুনিক যুগেও সমানভাবে পর্যকর। তবে এর ব্যতিক্রমও আছে। আগের কবি লেখক বিরামচিহ্ন প্রয়োগ ও ব্যবহারের রীতিটি পুরোপুরি মানতে চান না,কেউ কেউ বিরামচিহ্ন ছাড়া কবিতা-উপন্যাস-গল্প লিখছেন। অনেক লেখক,শিক্ষার্থী বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের বিধি সম্বন্ধে উদাসীন। অনেকে জানেনও না,কোথায় কোন চিহ্নটা ব্যবহার করতে হবে। রবীন্দ্রনাথ বরাবরই বিরামচিহ্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধে ছিলেন,কিন্তু তিনিও বিরামচিহ্ন শেষপর্যন্ত ব্যবহার করেছেন। কিন্তু কেন বিরামচিহ্ন ব্যবহার করতে হবে- সে সম্বন্ধে বিশেষ কোনো লেখালেখি বাংলা ভাষায় হয়নি। রবীন্দ্রনাথ ‘চিহ্ন বিভ্রাট’ শিরোনাম দিয়ে একটি লেখা লিখেছিলেন। এরপরে সুনীতি কুমার এ নিয়ে লিখেছেন,কিন্তু কয়েক পৃষ্ঠা মাত্র। অথচ ভাষা নির্মাণে বিরামচিহ্ন একটি বড় বিধি,আমরা এড়াতে পারি না। মোহাম্মদ হাননান বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র হলেও তাঁর লেখালেখি-গবেষণা সব ইতিহাস নিয়েই। এবার যে বিরামচিহ্ন ও যতিচিহ্ন বইটি লিখেছেন তাতেও ইতিহাস বাদ যায় নি। বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের পাঠক ও গবেষক এ প্রথম বিরাম চিহ্নের ইতিহাস ও রীতি-নীতি নিয়ে একটি বই পাচ্ছেন,যার কাজ ছিল অপেক্ষিত।
শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। বইপোকায় এখনই সংগ্রহ করুন।