ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে ‘বাবর, মসনদ ও আলমপানাহ্ (তিনটি বই একত্রে)’ লিখেছেন মোস্তাক শরীফ। বইটি প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশন। বইটিতে আছে হার্ডকভার বাঁধাই।
ইতিহাসের এক আকর্ষণীয় চরিত্র বাবর। জীবনে উত্থান-পতন কিছুরই কমতি ছিল না। মাত্র এগারো বছর বয়সে বসেছিলেন মধ্য এশীয় রাজ্য ফারগানার মসনদে। সিংহাসন হারিয়েছেন, পুনরুদ্ধার করেছেন বারবার। ভবঘুরের মতো বছরের পর বছর ঘুরেছেন পথে-প্রান্তরে, কিন্তু রাজ্যজয়ের স্বপ্নকে জলাঞ্জলি দেননি কখনও। অবশেষে ভারতবর্ষ জয়ের মাধ্যমে ইতিহাসে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবরের রোমাঞ্চকর জীবন এবং তাঁর স্বদেশ-সমকালের বাস্তবধর্মী এক আলেখ্য ‘বাবর’। উপন্যাস হয়েও যা উপন্যাসের চেয়ে বেশি কিছু।
‘শাহজাহান’ নাম নিয়ে মুঘল সিংহাসনে বসেছেন সদ্যপ্রয়াত সম্রাট জাহাঙ্গীরের তৃতীয় পুত্র খুররম। পরম আরাধ্য মসনদ হস্তগত করার পরই হারালেন প্রিয়তম পত্নী মুমতাজ মহলকে। তারপর স্ত্রীর স্মরণে নির্মাণ করলেন তাজমহলÑএমন এক সৌধ যার তুলনা পৃথিবীতে বিরল। শাহজাহান আর মুমতাজের অমর প্রেম এ উপন্যাসের মর্মমূলে,তবে এ শুধু প্রেমের গল্প নয়। সতেরো শতকের মধ্যভাগের ভারতবর্ষের বিশ্বস্ত এক ছবি। ঘৃণা,প্রেম আর উচ্চাকাক্সক্ষার অনুপম উপাখ্যান,যার সমাপ্তি ভ্রাতৃঘাতী গৃহযুদ্ধে। কেবল সিংহাসন প্রত্যাশী চার যুবরাজের মরণপণ সংগ্রামের গল্প নয় ‘মসনদ’; যুদ্ধ,হিংসা আর রক্তপাতের বিষবাষ্পের মধ্যেও অন্তহীন আশা নিয়ে জেগে থাকা ভালোবাসা আর স্বপ্নেরও গল্প।
ভারতবর্ষের ইতিহাসের এক আকর্ষণীয় চরিত্র চতুর্থ মুঘল সম্রাট নুরুদ্দিন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।