লেখক নেয়ামত ইমাম-এর ‘আয়নাঘর’ পাঠকের সামনে এসেছে সমকালীন উপন্যাস হিসেবে। ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত। বইটিতে আছে ২৭৮ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: Book Fair 2026।
জুলাই বিপ্লবের বহু বছর পর পুরোনো ঢাকার একটি রেস্টুরেন্টে বাংলা একাডেমির সাতজন সাবেক মহাপরিচালক একটি ঘরোয়া বৈঠকে মিলিত হন।
বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র কবি অমরনাথ বৈদ্যকে বাংলা একাডেমি পুরস্কারটি প্রদান করতে পারেননি বলে আক্ষেপ করেন তারা এবং তাদের নিজস্ব পুরস্কারে ভূষিত করবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
সুনির্দিষ্ট দিনে কবির গ্রামের বাড়ি কাঠিবাড়িতে সপ্তম মহাপরিচালকের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে বাকি ছয়জন মহাপরিচালক মোহাম্মদ শফিউল্লা নামক একজন সাংবাদিকের কাছে ব্যাখ্যা করে বলেন ঠিক কেন তারা অমরনাথ বৈদ্যকে পুরস্কারটি দিতে পারেননি। তমালিকা কর্মকার নামক একজন প্রতিবেশীর কাছ থেকে জানা যায় অমরনাথ বৈদ্য এবং তার মেয়ে মানবিকা বৈদ্য এখন আয়নাঘরে। মহাপরিচালকগণ নিজেদেরকে যেভাবে মোহাম্মদ শফিউল্লার কাছে ব্যাখ্যা করেন, তমালিকা কর্মকার তাদেরকে ব্যাখ্যা করেন সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে। তমালিকার ব্যাখ্যায় এমন কিছু স্পর্শকাতর বিষয়
উঠে আসে যা তারা চান না দেশের মানুষের সামনে প্রকাশিত হোক, যে কারণে মোহাম্মদ শফিউল্লার সঙ্গে তাদের সম্পর্কটি একটি গভীর নিষ্ঠুরতার দিকে ধাবিত হয়।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকার সংগ্রহে বইটি রয়েছে।