আত্মজীবনী হলো বহমান নদীর মতো। নদী যেমন ভাঙাগড়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, মানুষের জীবনও তাই। 'আত্মকথন'-এ মঞ্জুশ্রী ব্রহ্ম তাঁর ৭৪ বছরের জীবনকে প্রবাহমান নদীর মতো করে ফুটিয়ে তুলেছেন অত্যন্ত সুনিপুণভাবে। এর মধ্যে রয়েছে আনন্দ-বেদনা, দুঃখ-কষ্ট ও জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের জীবন্ত বর্ণনা।
পুত্রশোক থেকে মঞ্জুশ্রী ব্রহ্ম লেখালেখি শুরু করেছিলেন আর পুত্রতুল্য জামাতার মৃত্যুশোক দিয়ে আত্মজীবনী শেষ করেছেন। এর চেয়ে কষ্টের 'আত্মকথন' আর কী হতে পারে!