প্রিয় গ্রাহক, একাডেমিক বইয়ের অর্ডারে ৫০% অগ্রিম পেমেন্ট করতে হবে। বাকি ৫০% ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পরিশোধ করা যাবে।
বই সরবরাহ করতে না পারলে অগ্রিম টাকা সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হবে।
লেখক হযরত মাওলানা মুশতাক আহমদ চরথাওলী-এর ‘আশরাফুন নাহু শরহে ইলমুন নাহু - [বাংলা]’ পাঠকের সামনে এসেছে জামাতে নাহবেমির বিষয়ক বই হিসেবে। আশরাফিয়া বুক হাউস-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১২৮ পৃষ্ঠা নিয়ে।
খাবারের মধ্যে লবণ যেমন, ভাষার মধ্যে নাহু [ব্যাকরণ] তেমন। ইলমে নাহুর প্রয়োজনীয়তা বলতে গিয়ে বলা হয়ে থাকে যে, ‘ইলমে নাহুর প্রয়োজন কেমন খাবারের মধ্যে লবন যেমন’। লবন ছাড়া যেমন কোনো তরকারীই মজাদার হয় না, ঠিক ইলমে নাহু ছাড়া কোনো ভাষারই মজা পাওয়া যায় না। মনে রাখতে হবে যে, আরবী ভাষা কেবল মজার জন্যই নয়, বরং এ ভাষার বিশুদ্ধ উচ্চারণ ও পঠন আরবী ব্যাকরণ তথা নাহুর উপর পূর্ণাঙ্গরূপে নির্ভরশীল।
আরবী ভাষা ছাড়া দুনিয়াতে যত ভাষা রয়েছে তা কেবল শুনে শুনেই শুদ্ধভাবে উচ্চারণ করা সম্ভব। পক্ষান্তরে আরবী একটি বাক্যও নাহু ছাড়া সহীহশুদ্ধভাবে উচ্চারণ করা সম্ভব নয়। এ থেকেই বুঝে আসে যে, আরবী ব্যাকরণের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু! সুতরাং এ বিদ্যা অর্জনের জন্য বিশেষ দৃষ্টি দেয়া জরুরী। যদি কোনো ভাষার পরিপূর্ণ দক্ষতা অর্জন না হয় এবং ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি সে ভাষায় কলম চালানো ও কথা বলার যোগ্যতা যদি সৃষ্টি না হয়, তাহলে পাখির বুলির মত তা পড়ানো এবং শেখানোর ফায়েদা কি?
এ দিকে লক্ষ্য করেই আমি বর্তমান পুস্তিকাটি সংক্ষিপ্তাকারে এবং খুবই সহজ সাবলীল উর্দুতে বিন্যস্ত করি। যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা অনায়াসে নাহু বুঝতে পারে এবং এর জন্য যেন তাদের কষ্টের সম্মুখীন হতে না হয়।
এ পুস্তিকাটি পড়ার দ্বারা যেসব ফায়েদা হবে-
খুব কম সময়ে আরবী ব্যাকরণ হাতের মুঠোয় চলে আসবে।
আরবী কথোপকথনের যোগ্যতা সৃষ্টি হবে।
আরবী লেখায় হাত শক্তিশালী হবে।
শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকায় এখনই সংগ্রহ করুন।