সংক্ষেপ : পারস্য পুরাণের মতে, যারা সত্যের পক্ষে লড়াই করে তাদের বলা হয় ‘আশাবন’। আশাবন শব্দের অর্থ হলো ‘শুভ আত্মা’। এই উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র ‘আশাবন’। এরা জীবনকে ভালোবেসেছিল। জীবন তাদের ভালোবাসতে পেরেছি কি? হিমেল ভালোবেসেই নিশাতকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু অপূর্ণতা ছিল সন্তানে। একটা সন্তানের আশায় শেষ পর্যন্ত নিশাত হারিয়ে যায়। হিমেলের জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নেই। কিছু মানুষ সবসময়ই আলাদা হয়। আলাদা হয় তাদের জীবনের পরিধি। তেমনি একজন তুবা। চোখের সামনে হৃদয় জুড়ে ভালোবাসতে থাকা জহিরকে বাদ দিয়ে ভালোবেসে ফেলে ডা. মিজানকে। তাকে খুঁজতে ঘর ছাড়ে সে। কিন্তু নিদারুণ কষ্টের ভুলটা সে আর সামলে উঠতে পারল না। ভুল মানুষের জন্য ঘর ছেড়েছিল কিন্তু সফলতা আসেনি। ক্যারিয়ার গঠনের জন্য সবকিছু ছেড়েছিল চারু। তার বাবা-মাকে বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। অথচ ক্যারিয়ার গড়তে না পারা পারু হারিয়ে ফেলে তার ভালোবাসা। টাকা-পয়সা-ক্যারিয়ার সব আছে কিন্তু চারুর স্বামী-সংসার নেই। অন্যদিকে স্বামী-সংসার, টাকা-পয়সা সবই আছে কিন্তু ভালোবাসা নেই পারুর। কালো মেয়ে সুহানা তার গোপন কষ্টটা কখনো বলতেই পারল না আরমানকে? কেন এমন অপূর্ণ ভালোবাসা নিয়ে কাটিয়ে দিতে হয় এক জীবন। কেউ কি এর উত্তর জানে? ইবু সারা জীবন খুঁজেছে এমন একজনকে, যার জন্য জনম জনম অপেক্ষার আক্ষেপ থাকবে না। সত্যিই কি সে এমন একজনকে খুঁজে পায়?