‘আনোয়ারা’ বইটির লেখক মোহাম্মদ নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন; এটি একটি সমকালীন উপন্যাস। সালাউদ্দিন বইঘর-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। এর কলেবর ১৬০ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2024।
মোহাম্মদ নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন লেখকের জীবনদর্শন শৈল্পিক রূপায়নের মাধ্যমে গদ্যসাহিত্যে বিকশিথ হলে তা উপন্যাসের সংজ্ঞা ধারণ করে। লেখকের ভাবনা এমন ভাবে এখানটায় উপস্থাপিত হয়, যা মনে হবে সম্পূর্ণ বাস্তব। এতে ফুটে ওঠে সমগ্র জীবনের প্রতিচ্ছবি । তাইতো সংগত কারণে এর পটভূমি হয় বিস্তৃত । সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘটনাবিন্যাস আকর্ষণীয় গল্পরস, বাস্তবতার নিরিখে চরিত্র সৃষ্টি, মনোমুগ্ধকর বর্ণনাভঙ্গি ও সাবলীল সংলাপ উপন্যাসের প্রধান প্রধান বৈশিষ্টসমূহ। উপন্যাসের প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করলে এর কাহিনীর বর্ণনাই উল্লেখযোগ্য হিসেবে দেখা দেয়। উপন্যাসে থাকে মানুষের জীবনের বর্ণনা, ও রহস্যময় সৃষ্টির বর্ণনা। অর্থাৎ মানুষ সৃষ্টির অফুরান রহস্যের মধ্যেই উপন্যাসের অস্তিত্ব নিহিত ।
উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের লক্ষণ লক্ষ্য করা যায়। বাংলা উপন্যাসের প্রাথমিক অবস্থায় ব্যঙ্গচিত্র মূলক সাহিত্যে এর আভাস অনুভূত হয়। বাস্তব জীবনের খণ্ড খন্ড চিত্র কাহিনীর ঐক্যসূত্রে গ্রথিক হয়েই উপন্যাসের অঙ্কুরোদগমন হয়েছিল বাংলা গদ্যসাহিত্যের উষালগ্নে। কালগত দিক থেকে উপন্যাস হিসেবে প্রথম যে গ্রন্থটির দাবি সেটি হচ্ছে খ্রিস্টান বিদেশিনী হ্যানা ক্যাথারিন ম্যালেন্স (১৮২৬-৬১) 'ফুলমণি ও করুণার বিবরণ' (১৮৫২) গ্রন্থের । খ্রিস্ট ধর্মের মাহাত্ম্য প্রচার ছিল এ গ্রন্থের মূল উদ্দেশ্য।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।