‘সহজ-সরল ভাষায় বাংলাদেশের গ্রামের চিরায়ত গল্প শুনিয়েছেন বিভূতিভূষণ। তাঁর বলার ঢঙে কোনো অতিরঞ্জন নেই, নেই অতিকথনও। সমাজের বাস্তব ও জীবন্ত ছবির সহজ-স্বাভাবিক প্রতিফলন ঘটেছে এই উপন্যাসে। অপুর বেড়ে ওঠার পাশাপাশি দরিদ্র এক পরিবারের টিকে থাকার সংগ্রাম উঠে এসেছে এতে। একই সঙ্গে এই গল্প আনন্দের, এই গল্প দুঃখের আর কৈশোরের দুরন্ত অ্যাডভেঞ্চারের। এই গল্প পাওয়ার এবং একই সঙ্গে হারানোর। এই গল্প সোনালি শৈশবের। অপুর অবাক বিস্ময়ে বেড়ে ওঠার এই গল্প বাংলাদেশের সব গ্রাম্য বালকের, সবার।'