বাংলাদেশে দু’টো শব্দ খুব প্রচলিত। ধর্মান্ধতা এবং নাস্তিকতা। এই দু’টো তকমা অন্যের গায়ে সেঁটে দিতে পারলে অনেকে আনন্দিত হয় এবং নিজে জাতে উঠে গেছে বলে অনভুব করে। মূলত মতান্ধ মানুষ তৈরি করে যারা এই সমাজকে শান্তি, প্রগতি ও মূল্যবোধের জায়গা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চান; তারাই এসব বিভেদ দেয়াল তৈরি করেন। এই উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বিভেদের উস্কে দেওয়া অনুষঙ্গের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা হয়েছে। সামনে আনা হয়েছে সমাজ, রাষ্ট্র এবং বিশ্বের অসঙ্গতিকে। প্রসঙ্গক্রমে এখানে এসেছে গ্রাম, শহর এবং আন্তর্জাতিক বিষয়। প্রযুক্তি এখানে ধরা দিয়েছে অন্যরকম আলোয়। আমরা যে সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, তার থেকে একশো বছর সামনে এগিয়ে এই উপন্যাসের গল্প বলার চেষ্টা করা হয়েছে। যৌক্তিকভাবে প্রাযুক্তিক পরিবর্তনগুলো এখানে সাহিত্যের ভাষায় সামনে এসেছে। গল্পের প্রয়োজনে হুমায়নূ আহমেদের মৃত্যুর আগে শেষ লেখা নবীজী’র অংশটুকুও তুলে ধরা হয়েছে।