‘সিরাজদ্দৌলা’ রচনা, বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়াম আর পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার খননের উদ্যোগ—বাংলার ইতিহাসচর্চায় অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়ের অবদান এসব কীর্তিতে উজ্জ্বল। বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে লেখা বাংলার প্রথম ইতিহাস হিসেবে পরিচিত ‘গৌড়রাজমালা’ও তাঁর হাতেই রূপ পায়।
মো. সফিকুল ইসলামের ‘অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় বাংলার ইতিহাসচর্চার পথিকৃৎ’ এই ইতিহাসবিদের সাধনাকে ষোলোটি অধ্যায় ও পরিশিষ্টে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে। উনিশ শতকের শেষ দশক থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলায় জাতীয়তাবাদী ইতিহাসচর্চার অগ্রণী এই মানুষটির কাজের বহুমাত্রিকতা এখানে ধরা পড়েছে।
বাংলার প্রাচীন ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্ব ও ইতিহাস-লিখনের ধারা নিয়ে যাঁরা পড়েন বা গবেষণা করেন, তাঁদের জন্য ৫৫০ পৃষ্ঠার এই হার্ডকভার গ্রন্থ একটি নির্ভরযোগ্য আকর।