কবির সঙ্গে আয়নার পরিচয় হয়েছিল অদ্ভুত এক পরিস্থিতিতে। আয়নার প্রেমিক মিজান আয়নার বাবার কাছে পাঁচলাখ টাকা চেয়েছে ইতালিতে যাওয়ার জন্য। দুবছর পর ফিরে এসে আয়নাকে সে বিয়ে করবে। আসলে প্রেমের জালে জড়িয়ে একটি নিরীহ শিক্ষিত ভদ্ৰপরিবার থেকে যৌতুক আদায়ের চেষ্টা করছে ভণ্ডপ্রেমিক। এই দুঃখে এক মনােরম জ্যোৎস্নারাতে আয়না গলায় দড়ি দিতে গেছে তাদের বাগানে। বাগানের পাশের বিশাল খােলা মাঠে কবি একা একা গেছে জ্যোৎস্না দেখতে। এরকম জ্যোৎস্নায় গলায় দড়ি দিচ্ছে। অসাধারণ সুন্দর এক মেয়ে! কবি তাকে বাঁচায়। প্রতিবাদ এবং অধিকার আদায়ের কথা বলে। তারপর মিজানদের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করে আয়না। একসময় কবিও গিয়ে অনশন করতে বসে মেয়েটির পাশে। তারপর? এই উপন্যাস আসলে তিনপর্বের। প্রথমপর্ব ‘আয়না, তােমার সঙ্গে। দ্বিতীয়পর্ব নায়িকার নাম আয়না। আর শেষপর্ব ‘আয়না কেমন আছে। সব মিলে ‘আয়না কাহিনী।